বিবরণ
ব্যঞ্জনবর্ণ যেমন সুমধুর শব্দ হয়ে উঠবার জন্য স্বরবর্ণের মুখ চেয়ে বসে থাকে ঠিক তেমনি কবির মনও আজীবন পথ চেয়ে বসে থাকে কবিতার সোহাগে নিজেকে প্লাবিত করবার অপেক্ষায়। যখন কবিতা কবিকে কবিতা স্নাত করে মায়ের মতন আগলে রাখে তখন কবি লিখে ফেলতে পারেন- ‘স্নিগ্ধতায় পরিপূর্ণ পেলব আঁচল/সোহাগের গন্ধ-মাখা কোনো বৈভব/ ফুল ফোটা ভোর, আবির মাখানো রাত/খুঁজে চলি দিবানিশ পৃথিবীর বুকে/তুমি কী পূজায়! যাগযজ্ঞে উপচারে!’ অথবা ‘রাবণের চিতা জ্বলে বুকের ভিতর/ভয়পোকা কুরে কুরে খায় অহরহ/হৃদয়ে বাজনা বাজে শুধু বিদায়ের/সে বিদায় কেমন বিদায় বলো দেখি/তোমার হাতের স্পর্শ নাই পায় যদি!’ ….এমনই আরও অনেক মনছোঁয়া আবেগঘন কবিতায় ভরপুর কবি আদিত্য মণ্ডলের নতুন কবিতার বই ‘ব্যঞ্জনবর্ণ’। আশা করি ‘ব্যঞ্জনবর্ণ’ কাব্যগ্রন্থে লিপিবদ্ধ কবিতারা কবিতা পিপাসু পাঠকদের নিয়ে যেতে পারবে সেই দুনিয়ায় যেখানে, মরুভূমির বুকে ভেসে ওঠে জল, ক্যাকটাস ফোটায় ফুল আর পৃথিবী হয়ে ওঠে মায়াময় এক স্বপ্নের আশ্রয়।