বিবরণ
এই কাব্যগ্রন্থ যেন অন্ধকারে জেগে থাকা এক বিস্তৃত নক্ষত্রমণ্ডল, যেখানে ইতিহাসের ক্ষত, পতঙ্গের ভাষা, মফস্সলের কুয়াশা, মায়ের সাঁতারের আলো আর দূরদেশের রক্তাক্ত স্মৃতি মিলেমিশে ওঠে নীল অভিমানী সুরে। শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে শব্দকে পরিণত করেছেন জ্যোৎস্নার খসে পড়া ধুলোতে; প্রতিটি কবিতা খুলে দেয় এক গভীর দরজা, যেখানে নিঃশ্বাস জ্বলে ওঠে, স্মৃতির পাখি ডানা মেলে। আর আমরা টের পাই, বেঁচে থাকা আসলে আলো ও হিমের মধ্যেকার এক দীর্ঘ, অদৃশ্য যাত্রা-মৃদু, অন্তহীন।